প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
৯ আগস্ট চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত তিন উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।া
নিজস্ব প্রতিবেদক: ||
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।মঙ্গলবার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রেস সচিব বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং চলমান ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ, পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তা এবং সরকারি সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা প্রস্তুতি শুরু করেছে। সফরের নিরাপত্তা, জনসভাস্থল, সড়ক যোগাযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সম্ভাব্য রুট নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানা গেছে।সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী উপজেলায় অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। অনেক বসতঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বহু পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হতে হয় এবং স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।সরকারের পক্ষ থেকে বন্যার শুরু থেকেই ত্রাণ বিতরণ, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও অবকাঠামো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সরকারের অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করবে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও দ্রুত বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, এই সফরের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কার, কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।আগামী ৯ আগস্টের এ সফরকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টাঃ এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক ( চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর)
উপদেষ্টাঃ মো: মহিউদ্দিন
উপদেষ্টাঃ মনিরুল মন্নান চৌধুরী
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানঃ মো: আবু সিদ্দিক
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোহাম্মদ সুলতান
নির্বাহী সম্পাদকঃ এম. আরফাত সুমন
কপিরাইট © ২০২৬ জাগো বাঁশখালী । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত