সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ১০ নং চাম্বল ইউনিয়নের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মা, ভাই, বোনসহ সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে আনন্দ, ভক্তি, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব। প্রতি বছর এ উৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। পূজামণ্ডপগুলো সেজে ওঠে বর্ণিল সাজে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, প্রার্থনা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হয় এই মহোৎসব।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনই আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় শক্তি। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আমার প্রাণপ্রিয় ১০ নং চাম্বল ইউনিয়নের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মা, ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন।”
তিনি বলেন, “আমাদের চাম্বল ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করে আসছেন। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। আমরা চাই, ভবিষ্যতেও এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অটুট থাকুক এবং প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব স্বাধীনভাবে, আনন্দের সঙ্গে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্যাপন করতে পারুক।”
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আরও বলেন, “ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই একই সমাজের মানুষ। আমাদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা ও ভালোবাসার বন্ধন একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই একে অপরের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি এমন একটি চাম্বল ইউনিয়নের স্বপ্ন দেখি, যেখানে থাকবে না কোনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ, থাকবে না হিংসা-বিদ্বেষ। থাকবে পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, মানবিকতা ও সহযোগিতার সুন্দর পরিবেশ। যেখানে প্রতিটি মানুষ ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন মানুষ হিসেবে সমান সম্মান ও মর্যাদা পাবেন।”
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “চাম্বল ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার অন্যতম লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক চাম্বল ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।”
শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠাই মানবতার চিরন্তন প্রত্যাশা। শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি পরিবারে। মানুষের মধ্যে আরও সুদৃঢ় হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।”
এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজারি, ভক্তবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল পরিবারের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে উৎসবের প্রতিটি আয়োজন শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমার প্রিয় চাম্বল ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল মা, ভাই ও বোনদের প্রতি রইল হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। আপনাদের প্রতিটি পরিবারে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দ বিরাজ করুক। সকলের সম্মিলিত ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমাদের চাম্বল হয়ে উঠুক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ১০ নং চাম্বল ইউনিয়নের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মা, ভাই, বোনসহ সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে আনন্দ, ভক্তি, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব। প্রতি বছর এ উৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। পূজামণ্ডপগুলো সেজে ওঠে বর্ণিল সাজে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, প্রার্থনা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হয় এই মহোৎসব।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনই আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় শক্তি। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আমার প্রাণপ্রিয় ১০ নং চাম্বল ইউনিয়নের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মা, ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন।”
তিনি বলেন, “আমাদের চাম্বল ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করে আসছেন। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। আমরা চাই, ভবিষ্যতেও এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অটুট থাকুক এবং প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব স্বাধীনভাবে, আনন্দের সঙ্গে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্যাপন করতে পারুক।”
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আরও বলেন, “ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই একই সমাজের মানুষ। আমাদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা ও ভালোবাসার বন্ধন একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই একে অপরের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি এমন একটি চাম্বল ইউনিয়নের স্বপ্ন দেখি, যেখানে থাকবে না কোনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ, থাকবে না হিংসা-বিদ্বেষ। থাকবে পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, মানবিকতা ও সহযোগিতার সুন্দর পরিবেশ। যেখানে প্রতিটি মানুষ ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন মানুষ হিসেবে সমান সম্মান ও মর্যাদা পাবেন।”
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “চাম্বল ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার অন্যতম লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক চাম্বল ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।”
শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠাই মানবতার চিরন্তন প্রত্যাশা। শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি পরিবারে। মানুষের মধ্যে আরও সুদৃঢ় হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।”
এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজারি, ভক্তবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল পরিবারের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে উৎসবের প্রতিটি আয়োজন শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমার প্রিয় চাম্বল ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল মা, ভাই ও বোনদের প্রতি রইল হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। আপনাদের প্রতিটি পরিবারে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আনন্দ বিরাজ করুক। সকলের সম্মিলিত ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমাদের চাম্বল হয়ে উঠুক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

আপনার মতামত লিখুন