সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবছার মিয়া (৩০) ও মো. দিদার আলম (৩০)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দিদারের বিরুদ্ধে ১৩টি এবং আবছারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
এসপি জানান, রোববার রাতে রাউজান উপজেলার শীতলপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, হত্যার সময় দিদারের হাতে একটি পিস্তল এবং আবছারের হাতে একটি শটগান ছিল। ফুটেজে তাদের মাসুদুল হক চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন এসপি।
সংবাদ সম্মেলনে এসপি মাসুদ আলম বলেন, অধিকাংশ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মোহাম্মদ রায়হান আলমের সহযোগী। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে একই মামলায় আরেক আসামি ধামা ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া আবছার ও দিদার দুজনই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোহাম্মদ রায়হানের অনুসারী এবং অর্থের বিনিময়ে ভাড়াটে হিসেবে হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে। তিনি পার্শ্ববর্তী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবছার মিয়া (৩০) ও মো. দিদার আলম (৩০)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দিদারের বিরুদ্ধে ১৩টি এবং আবছারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
এসপি জানান, রোববার রাতে রাউজান উপজেলার শীতলপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি শটগান উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, হত্যার সময় দিদারের হাতে একটি পিস্তল এবং আবছারের হাতে একটি শটগান ছিল। ফুটেজে তাদের মাসুদুল হক চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন এসপি।
সংবাদ সম্মেলনে এসপি মাসুদ আলম বলেন, অধিকাংশ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মোহাম্মদ রায়হান আলমের সহযোগী। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে একই মামলায় আরেক আসামি ধামা ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া আবছার ও দিদার দুজনই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোহাম্মদ রায়হানের অনুসারী এবং অর্থের বিনিময়ে ভাড়াটে হিসেবে হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে। তিনি পার্শ্ববর্তী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন