বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় বাঁশখালীর খদুলপাড়া দায়রা শাখা এলাকায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং গাউছুল আজম আলহাজ্ব সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বসতভিটাসহ নানা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নিম্নআয়ের ও অসহায় বহু পরিবার দুর্ভোগে পড়ে। বন্যার পানি নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই এখনো ঘরবাড়ি মেরামত ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব এবং তাদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘর পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ঘর নির্মাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আয়োজকরা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদ-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় বাঁশখালীর খদুলপাড়া দায়রা শাখা এলাকায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং গাউছুল আজম আলহাজ্ব সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বসতভিটাসহ নানা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নিম্নআয়ের ও অসহায় বহু পরিবার দুর্ভোগে পড়ে। বন্যার পানি নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই এখনো ঘরবাড়ি মেরামত ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব এবং তাদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘর পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ঘর নির্মাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আয়োজকরা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদ-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন