আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার খবরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, উঠান বৈঠক, মতবিনিময় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তারা।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আমেজে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কে হচ্ছেন পরবর্তী চেয়ারম্যান, কারা পাচ্ছেন জনগণের সমর্থন—এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ।
নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়নে বাড়ছে প্রচারণা ও গণসংযোগ। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবেন—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে এখন পুরোপুরি জমে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার খবরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, উঠান বৈঠক, মতবিনিময় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তারা।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আমেজে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কে হচ্ছেন পরবর্তী চেয়ারম্যান, কারা পাচ্ছেন জনগণের সমর্থন—এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ।
নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়নে বাড়ছে প্রচারণা ও গণসংযোগ। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবেন—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে এখন পুরোপুরি জমে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ।

আপনার মতামত লিখুন