জাগো বাঁশখালী

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম, শিক্ষার মানের চরম অবনতি কিংবা এমপিওভুক্তির শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ মিললে এসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হতে পারে।

শূন্য পাসের ৩১২ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হতে পারে।



শূন্য পাসের ৩১২ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হতে পারে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাসের এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক উপস্থিতি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাঠদান কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ফলাফল খারাপ হওয়া কিংবা কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফল সন্তোষজনক নয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হতে পারে। তদন্তে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে শুধু এক বছর শূন্য পাসের ফলাফলের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হবে কি না, সেটি তদন্তের ফলাফল ও বিদ্যমান নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার পরই এমপিও নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

শিক্ষাবিদদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি, অবকাঠামোগত সমস্যা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা স্থানীয় বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই এমপিও বাতিলের পাশাপাশি সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানোন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হলে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

জাগো বাঁশখালী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


শূন্য পাসের ৩১২ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হতে পারে।

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাসের এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক উপস্থিতি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাঠদান কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ফলাফল খারাপ হওয়া কিংবা কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফল সন্তোষজনক নয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হতে পারে। তদন্তে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে শুধু এক বছর শূন্য পাসের ফলাফলের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হবে কি না, সেটি তদন্তের ফলাফল ও বিদ্যমান নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার পরই এমপিও নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

শিক্ষাবিদদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি, অবকাঠামোগত সমস্যা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা স্থানীয় বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই এমপিও বাতিলের পাশাপাশি সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানোন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হলে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।


জাগো বাঁশখালী

প্রধান উপদেষ্টাঃ এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক (চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর)
উপদেষ্টাঃ মো: মহিউদ্দিন 
উপদেষ্টাঃ মনিরুল মন্নান চৌধুরী 
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানঃ মো: আবু সিদ্দিক 
সম্পাদক ও  প্রকাশকঃ মোহাম্মদ সুলতান

কপিরাইট © ২০২৬ জাগো বাঁশখালী । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত