শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ফলাফল খারাপ হওয়া কিংবা কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফল সন্তোষজনক নয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হতে পারে। তদন্তে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে শুধু এক বছর শূন্য পাসের ফলাফলের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হবে কি না, সেটি তদন্তের ফলাফল ও বিদ্যমান নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার পরই এমপিও নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
শিক্ষাবিদদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি, অবকাঠামোগত সমস্যা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা স্থানীয় বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই এমপিও বাতিলের পাশাপাশি সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানোন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হলে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কোনো প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ফলাফল খারাপ হওয়া কিংবা কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফল সন্তোষজনক নয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হতে পারে। তদন্তে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে শুধু এক বছর শূন্য পাসের ফলাফলের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল হবে কি না, সেটি তদন্তের ফলাফল ও বিদ্যমান নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার পরই এমপিও নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
শিক্ষাবিদদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি, অবকাঠামোগত সমস্যা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা স্থানীয় বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই এমপিও বাতিলের পাশাপাশি সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানোন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষ হলে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন