উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘর উদ্বোধনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ৬ আগস্ট থেকে সাধারণ জনগণ জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়। সেই আন্দোলনের গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের কাছে সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের দলিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখানে সংরক্ষিত বিভিন্ন নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিল ও স্মারক দর্শনার্থীদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ ও এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেবে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘর উদ্বোধনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ৬ আগস্ট থেকে সাধারণ জনগণ জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়। সেই আন্দোলনের গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের কাছে সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা এবং শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের দলিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখানে সংরক্ষিত বিভিন্ন নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিল ও স্মারক দর্শনার্থীদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ ও এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেবে।

আপনার মতামত লিখুন